Share |

গুগলের ডুডলে হাসুক অমর একুশে

গুগলের ডুডলে হাসুক  অমর একুশে

পত্রিকা রিপোর্ট  ॥ ১৯ ফেব্রুয়ারি : ঊনিশ শ’ বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ষাট বছর পূর্ণ হলো এ বছর। এ ভাষা ঊনিশ শ’ নিরানব্বই সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা। তখন থেকে বিশ্বের প্রায় দু’শটি দেশে একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবস হিশেবে পালন করা হয়। এটি আমাদের জন্যে ঊনিশ শ’ বায়ান্নর আন্দোলনে ভাষা-জয়ের মতোই আরেকটি ঘটনা। এসব আমাদের অর্জন। এ অর্জনের সাথে বাঙালি জাতি এবার যোগ করতে চায় একটি লগো। আর এই লগোটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের ডুডল। কম্পিউটারে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুটি ফুলের বুকে অ এবং আ সেঁটে তৈরিকৃত এই ডুডল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গুগলের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এই ডুডলটি একুশে ফেব্রুয়ারি গুগলের ডুডলে নিয়ে আসার জন্যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গুগলের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার পাশাপাশি কয়েকটি স্যোশাল নেটওয়ার্ক জনমানুষের ওই প্রাণজ আহ্বানকে জোরদার করেছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর নানা দেশে বসবাসরত কোটি কোটি বাঙালির প্রাণের দাবি- এবারের একুশে ফেব্রুয়ারি গুগলের ডুডলে আমাদের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে নিয়ে আসা হোক। এতে বাংলা ভাষার মর্যাদা বিশ্ববাসির কাছে আবারও দীপিত মাত্রায় উদ্ভাসিত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আর তা বাস্তবায়িত হলে বাঙালি জাতি হিশেবে আমরাও সমুজ্জ্বল হবো। উল্লেখ্য, ডুডল হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিল গুগলের হোম পেজ লগো। ১৯৯৯ সাল থেকে  এই ডুডল তৈরি হচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তের সৃষ্টিশীল তরুণ মেধাবীদের দ্বারা প্রতিনিয়ত তৈরিকৃত এই ডুডল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে থাকে। এগুলোতে ফুটিয়ে তোলা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, ব্যক্তিত্ব, ঐতিহাসিক দিবস-উৎসব। এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের গুগল পুরষ্কৃত করে। সৃষ্টিশীল ওই তরুণ মেধাবীদের খুঁজে বের করতে গুগলকে সহযোগিতা করে নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি এবং ক্রেয়লার। 

Comments

we wish Google listen to us soon