Share |

বাংলা নববর্ষ উদযাপিত : স্বাগত ১৪১৯

ঢাকায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ আল্পনা

ঢাকা, ১৬ এপ্রিল : ‘মুছে যাক গ্লানি ঘুঁচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের আকাঙক্ষার সঙ্গে একাকার হয়ে দেশের মানুষও প্রত্যাশা করে বিগত বছরের ঝরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন করে স্বপ্ন দেখার। বিদায় ১৪১৮। স্বাগত ১৪১৯। বাংলা বছরের প্রথম দিন প্রতিজন বাংলাদেশীর জীবনে এক অমলিন আনন্দের দিন। নতুন স্বপ্নের হালখাতা খোলার দিন পহেলা বৈশাখ। পেছনের বছরের সব অপ্রাপ্তি ভুলে গিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লগ্নে একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সুখী-সমৃিদ্ধশালী দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই শনিবার বাংলাদেশে উদযাপন করা হয় বৈশাখী উৎসব। নতুন বছরে নবচেতনায় উদ্বুদ্ধ জাতি আবারও সোচ্চার হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে। জীর্ণ মালিন্যকে পেছনে ফেলে নতুন বছরকে বরণ করে বাঙালি। বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব নব বর্ষবরণকে ঘিরে ‘আঁকব আমরা দেখবে বিশ্ব’ শ্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকাতে ফার্মগেটের খামারবাড়ি থেকে আসাদ গেট এলাকার আড়ং পর্যন্ত সংসদ ভবনের সামনে সড়ক দ্বীপের উভয় পার্শ্বে ২ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে অঙ্কন করা হয়েছে বিশাল আল্পনা। বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন ধরনের নকশা এসব আল্পনায় উঠে এসেছে। আল্পনা অঙ্কনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মহাখালী, ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবার পরিজনদের সঙ্গে নিয়ে ভিড় জমান শত শত শিশু, পুরুষ, নারী। এই আল্পনা অঙ্কনে অংশ নেন বাঙালি সংস্কৃতিপ্রেমী দু’চারজন বিদেশি নাগরিককেও। আল্পনা অঙ্কনকে কেন্দ্র করে সেখানে গড়ে ওঠা তথ্য কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যমতে, এই আল্পনা অঙ্কনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপ অ?ারনেটিভসহ (ইউডা) রাজধানীর ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের আড়াই শতাধিক ছাত্রছাত্রী অংশ নেন।  এ ব্যাপারে আল্পনা অঙ্কনে কর্মরত ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপ অ?ারনেটিভের (ইউডা) চারুকলা বিভাগের ছাত্র বাবু এবং প্রিতম জানান, তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ জন ছাত্রছাত্রী এ আল্পনা অঙ্কনে অংশ নিয়েছেন।