Share |

গ্র্যান্ড সিলেটের সাথে বিশ্বখ্যাত চেইন হোটেল মুভেনপিক-এর চুক্তি

লন্ডন, ৬ নভেম্বর : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের পর্যটন সম্পদকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বিশেষ করে সিলেটের পর্যটন সম্ভাবনাকে শক্ত প্লাটফর্মে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য।  
সিলেটে বিশ্বখ্যাত চেইন হোটেল মুভেনপিক-এর সাথে সিলেটের নবনির্মিত হোটেল গ্র্যান্ড সিলেটে কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  
এয়ারপোর্ট সংলগ্ন বড়শালা এলাকায় সুবিশাল অঞ্চলজুড়ে গড়ে তোলা হোটেলের কনফারেন্স হলে গত বৃহস্পতিবার রাতে (২৬ অক্টোবর) এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুভেনপিক এবং গ্লোবাল এসেট লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্র্যান্ড সিলেট প্রজেক্টের বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ গ্লোবাল এসেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে চুক্তি স্বাক্ষর করেন কোম্পানীর চেয়ারম্যান আলী মোহাম্মদ জাকারিয়া ও এম ডি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন রাজী এবং মুভেনপিক কোম্পানীর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন মুভেনপিক গ্রুপের এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু লাংডন। চুক্তি স্বাক্ষরের পর মুভেনপিক গ্রুপের এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু লাংডন বলেন, সিলেটে সকল ধরনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর আমরা এই হোটেলকে ফাইভ স্টার মানের হিসেবে গড়ার ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে মনে করেছি। ল্যাংডন বলেন, ‘সিলেটে প্রথম আন্তর্জাতিকমানের হোটেল নির্মাণের চুক্তি করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা বাংলাদেশ এবং এর ভবিষ্যত উন্নয়নে বিশ্বাস করি। দেশটির অর্থনীতি দ্রুত উন্নতি হচ্ছে এবং এদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আর এটাই আমাদের ব্যবসার প্রধান চালিকাশক্তি। তাই সিলেটের ভ্রমণকারীদের আন্তর্জাতিকমানের করপোরেট সেবা দিতেই আমরা এখানে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করেছি।’
গ্লোবাল এসেট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান আলী মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে এবং মানুষের আস্থার প্রতিদান দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। মুভেনপিকের সাথে আজকের চুক্তি সই সিলেটকে আন্তর্জাতিকভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এই হোটেলকে সিলেটের একটি আইকন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আশা করছি খুব শিগগিরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করব, যা নিশ্চয়ই একদিন সিলেটবাসীর গর্বের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে মোমেন, বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমেদ আল কবির, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগির বখত, বর্তমান প্রেসিডেন্ট এনাম আলী এমবিই, ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি দিলাবর হোসেন, বিবিসিসিআইর ফাইন্যান্স ডিরেক্টর মনির আহমদসহ আরও অনেকে।  
এছাড়া চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্লোবাল এসেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর দিদার হোসেন, ব্র্যান্ড এ্যাম্মেসেডর আবুল কালাম আজাদ, মার্কেটিং এন্ড আইটি ডিরেক্টর সমির উদ্দিন, মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন ডিরেক্টর শাহ শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি