Share |

হৃদয়বানদের সহযোগিতায় বাঁচতে চান সিলেটের কলেজছাত্রী সুমনা

সুমনা আক্তার। ২৪ বছরের তরুণী। সিলেট মহানগরীর কুয়ারপারের ইঙ্গুলাল রোডের এখলাসুর রহমানের বড় মেয়ে। সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের মার্স্টাসের ছাত্রী। প্রাণচঞ্চল সুমনার কত স্বপ্ন ছিল। পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে দাঁড়াবেন নিজের পায়ে। কলেজের শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় আত্মনিয়োগের বাসনা ছিল। দেশ-দশের কল্যাণে নিজেকে ব্রত রাখার প্রত্যয় ছিল চোখেমুখে। কিন্তু জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে সব স্বপ্নসাধ ধুলিস্মাৎ হতে চলেছে। 
তার দুটি কিডনিই সম্পূর্ণ অকেজো হওয়ার উপক্রম। সম্ভাবনাময় এ তরুণীর মহাবিপদে তার অস্বচ্ছল পরিবারের সদস্যরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে নেয়া কিংবা কিডনি প্রতিস্থাপনের সামর্থ নেই তাদের। বড় স্বপ্ন দেখা তরুণী সুমনা আজ শয্যাশায়ী। অশ্রুসজল চোখে চেয়ে থাকেন সারাক্ষণ। তার চিকিৎসার জন্য দরকার কমপক্ষে ৩৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু সুমনার অস্বচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিশাল অংকের টাকা যোগানো সম্ভব নয়। ফলে চরম অনিশ্চয়তার পথে ধাবিত হচ্ছে তার জীবন। বাঁচার আকুতি নিয়ে সুমনা তাকিয়ে আছেন সমাজের হৃদয়বানদের উদার সহযোগিতার দিকে।  
সুমনার চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন, এ রোগে আক্রান্ত হলে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে হয়। এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়। এজন্য প্রয়োজন ৩৫ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা। 
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে সিলেটের চিকিৎসক মৃণাল কান্তি প্রথমে রোগটি সনাক্ত করেন। পরে বিশিষ্ট চিকিৎসক কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ আলমগীর সাফকাত ও নাজমুস সাকিবের তত্বাবধানেও তার চিকিৎসা চলে। কিন্তু অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকায়। প্রায় এক মাস চিকিৎসা চলে ঢাকার গ্রীনলাইফ কিডনি হাসপাতাল এবং কিডনি ফাউন্ডেশনে। এর আগে সিলেটের একাধিক প্রাইভেট হাসপাতালেও তার চিকিৎসা চলে। চিকিৎসকরা বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানো জরুরী। কিন্তু সুমনার পরিবারের পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা অসম্ভব। ফলে পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের দানশীল ব্যক্তিবর্গের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।   সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-
সুমনা আক্তার
একাউন্ট নং- ০০১২৭০০০০০১০৯
সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড
লালদিঘীরপার শাখা, সিলেট।