Share |

বাংলাদেশিদের জন্য কঠিনই থাকছে স্টুডেন্ট ভিসা

পত্রিকা রিপোর্ট
লন্ডন, ২৪ জুন : ব্রিটেনের স্টুডেন্ট ভিসার (টিয়ার ফোর ভিসা নামে পরিচিত) শর্ত সহজ করা হয়েছে। নতুন নিয়মে শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনকারীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণ করতে হবে না। আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টিও প্রমাণ করতে হবে না। তবে কেবল ১১টি দেশের নাগরিকেরা নতুন নিয়মের এই সুযোগ পাবেন। ওই তালিকায় বাংলাদেশ নেই। ফলে বাংলাদেশিদের জন্য বিদ্যমান কঠোর নিয়মই বহাল থাকবে।
১৫ জুন হোম সেক্রেটারি সাজিদ জাভিদ অভিবাসন আইনের বেশ কিছু পরিবর্তন ঘোষণা করেন। শিক্ষার্থী ভিসা সম্পর্কে তিনি বলেন, নতুন করে ১১টি দেশকে ‘অতি বিশ্বস্ত’ (হাইলি ট্রাস্টেড) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব দেশের নাগরিকদের শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনের জন্য ইংরেজি দক্ষতা কিংবা যুক্তরাজ্যে বসবাসের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ ব্যাংকে জমা থাকার প্রমাণ দিতে হবে না।
এই দেশগুলো হলো চীন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মেক্সিকো, বাহরাইন, সার্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, কুয়েত, মালদ্বীপ ও ম্যাকাও। এসব দেশের নাগরিকেরা যুক্তরাজ্যের অভিবাসন আইনের অপব্যবহার করেননি বলে দাবি করেন সাজিদ জাভিদ। দেশটির অভিবাসন পর্যবেক্ষণকারী স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান মাইগ্রেশন ওয়াচ সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ২০০৯ সালে একইভাবে শিক্ষার্থী ভিসার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল। এর ফলে প্রচুর ভুয়া শিক্ষার্থীর আগমন ঘটে এবং ওই বিশৃঙ্খলা কাটিয়ে উঠতে বেশ কয়েক বছর সময় লেগেছে।
শিক্ষার্থী ভিসার অতি বিশ্বস্ত দেশের তালিকায় এর আগে ১৮টি দেশ ছিল। সেই সংখ্যা এখন বেড়ে ২৯ হলো। আগে থেকে তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বার্বাডোজ, বতসোয়ানা, ব্রুনাই, কানাডা, চিলি, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান। এর আগে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা ঘোষণা করেন সাজিদ জাভিদ। ডাক্টার এবং নার্সদের তিনি টিয়ার ২ কোটা থেকে মুক্ত করেন। এতে বছরে চিকিতসক ও নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো সীমা থাকবে না। আর ডাক্টার ও নার্সদের কোটা থেকে বের করার ফলে কোটায় অন্য পেশার লোকদের জন্য সুবিধা বাড়বে। 
বর্তমানে ওয়ার্ক পারমিটে বছরে ২০ হাজার ৭শ লোক আনার কোটা নির্দিষ্ট রয়েছে।