Share |

এবার ড্রামে বিশ্বরেকর্ড চান পণ্ডিত সুদর্শন

পত্রিকা রিপোর্ট
লন্ডন, ২৪ জুন : ৪ জুলাই আবারও বাজানো শুরু করছেন পণ্ডিত সুদর্শন দাশ। এবার তিনি ড্রাম বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড করতে চান। এই রেকর্ড গড়তে পারলে তিনি হ্যাট্রিক পূর্ণ করবেন। এর আগে সর্বোচ্চ সময় তবলা এবং ঢোল বাজিয়ে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। রেকর্ডধারী হিসেবে নাম উঠে গ্রিনেজ ওয়ালর্ড রেকর্ডস বুকে।  
বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সন্তান পণ্ডিত সুদর্শন দাশ পত্রিকাকে বলেন, রেকর্ড গড়ার জন্য গ্রিনেজ ওয়ার্হ্ব রেকর্ডস কতৃপক্ষ তাঁকে টানা ১২ ঘন্টা ড্রাম বাজানোর শর্ত দিয়েছে।  আগামী ৪ জুলাই বুধবার তিনি পূর্ব লন্ডনের কমার্সিয়াল রোড়ের লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে বাজাবেন।  বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি বাজানো শুরু করবেন। তিনি চান কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা বাজিয়ে থামতে, যাতে অন্য কেউ সহজে এই রেকর্ড ভাঙ্গতে না পারে। সুদর্শন দাশ বলেন, ড্রাম বাজানোর এই রেকর্ড গড়ার জন্য তাঁকে একটানা বাজাতে হবে। কোনো বিরতি নেয়া যাবে না।  এর আগে টানা ২৫ দিনে ৫৫৭ ঘন্টা ১১ মিনিট বাজিয়ে হ্যান্ড ম্যারাথন তবলার রেকর্ড নিজের দখলে নেন।  
এরপর টানা ২৭ ঘন্টা বাজিয়ে গড়েন ঢোল ম্যারথনের রেকর্ড। ড্রামে সফল হলে তৃতীয় রেকর্ডের জন্য গ্রিনেস ওয়ার্হ্ব রেকর্ডসে নাম উঠবে সুদর্শনের।  এই রেকর্ড গড়ার চ্যালেঞ্জটি তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য উতসর্গ করেছেন। ইউনিসেফের সৌজন্যে তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আড়াই হাজার পাউন্ড সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।  
সুদর্শন দাশের বাবা অমূল্য রঞ্জন দাশ। মা- বুলবুল রাণী দাশ। পণ্ডিত সুদর্শন পূর্ব লন্ডনের তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেরি প্রিন্সিপাল। তাঁর প্রতিষ্ঠানে ২৩০ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখছে। চট্টগ্রাম, কলকাতায়, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রতিষ্ঠানের শাখা খোলা হয়েছে বলে জানান এই বাদ্য শিল্পী।  
তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহ্যাম এবং রেডব্রিজ কাউন্সিলের অধীনে মিউজিক ইন্সপেক্টর হিসেবে কাজ করেন।  
সুদর্শন সকলের দোয় চেয়েছেন। রোহিঙ্গা শিশুদের সাহায্যে চালু করা ফান্ড রেইজিং তহবিলে দান করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।