Share |

দেশের চিকিৎসায় ভরসা নেই : প্রেসিডেন্ট আবারও লন্ডনে

পত্রিকা রিপোর্ট
লন্ডন, ০৯ জুলাই : চোখের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডন এসেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৪টায় বিমানের বিজি-০০১ ফ্লাইটে লন্ডনের হিথরো বিমান বন্দরে অবতরণ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান ব্রিটেনে বাংলাদেশের হাই কমিশনার নাজমুল কাওনাইন ও মিসেস কাওনাইনসহ যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। গত এক বছরের মধ্যে রাষ্ট্রপতি দুই দফা লন্ডনে এসেছেন।  
এর আগেও বহুবার তিনি চিকিতসার জন্য লন্ডনে আসেন। বাংলাদেশের সরকারী-বেসরকারী কোনো চিকিতসার প্রতি আস্থা না থাকার কারণে রাষ্ট্রপতিকে বার বার দেশের বাইরে আসতে হয় চিকিতসার জন্য। সরকারের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দও সব সময় দেশের বাইরেই চিকিতসা করান। দেশের চিকিতসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজটি সরকারের হলেও বাংলাদেশে কোনো আমলেই কোনো ক্ষমতাসীন দল সেই দায়িত্ব আন্তরিকভাবে পালন করেছে বলে নজির নেই। বরং সব সময়ই ক্ষমতাসীনদের দেশের বাইরে চিকিতসা নিতে দেখা গেছে।  শনিবার বিমান বন্দর থেকে রাষ্ট্রপতিকে সরাসরি সেন্ট্রাল কেন্দ্রীয় লন্ডনের পার্ক লেইন হোটেল হিলটনে নিয়ে গেলে সেখানে ফুলের তোড়া হাতে তুলে দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাশেম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈমুদ্দিন রিয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য আনসারুল হক, অ্যাডভোকেট হাফিজ, সৈয়দ সুরুক আলী, যুবলীগ নেতা জামাল আহামেদ খানসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, আট দিনের সফরে লন্ডনের মুরফিলড আই হাসপাতালে চোখের চিকিৎসা এবং বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন রাষ্ট্রপতি। আগামী ১৫ জুলাই তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয?ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বিমান বন্দরে তাঁকে বিদায় জানান কৃষিমন্ত্রী মতিয?া চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব,পররাষ্ট্র সচিব, কূটনৈতিক কোরের ডিন, তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশের আইজিসহ সামরিক-বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।