Share |

ঠেকানো গেল না আরিফুলকে

৩০ জুলাই : কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ নানা জবরদখল সত্ত্বেও সিলেটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে দাবাতে পারেনি ক্ষমতাসীনরা। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে ১৩৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩২ কেন্দ্রে আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান (নৌকা) পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। আরিফুল ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
অন্য দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। স্থগিত কেন্দ্র দুটিতে মোট ভোট ৪ হাজার ৭৮৭। সোমবার বিকেল চারটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী একপ্রকার হতাশার সুরেই নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলেন। দিনভর ভোট গ্রহণে নানা অভিযোগ করেন সদ্যবিদায়ী এই মেয়র। বিএনপির পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরের দিকে অভিযোগ করা হয়, অন্তত ৪১টি কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থকেরা। তারা বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও জানানোর কথা বলেন। বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য এবং অন্য দুই সিটির নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখে এমন ধারণা অনেকের মধ্যে সৃষ্টি হয়, হয়তো সিলেটও শাসক দলের দখলে যাবে। তবে ফলাফল ঘোষণার শুরু থেকেই চমক দেখা যায়। সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) গ্রহণ করা হয়েছে, তাতে এগিয়ে যান আরিফুল হক চৌধুরী।
সিলেটে ফল ঘোষণা স্থগিত চায় আ.লীগ সিলেট সিটির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিতের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন সিরাজ সোমবার রাতে নগরীর আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফল স্থগিতের এ আবেদন করেন। সেখানেই মিজবাহ উদ্দিন সিরাজ সাংবাদিকদের বলেন, কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া ফল এবং ঘোষিত ফলের মধ্য পার্থক্য থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফল স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।