Share |

বড্ড উপকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনা

পত্রিকা রিপোর্ট
লন্ডন, ১০ সেপ্টেম্বর : লন্ডন মহানগর বিএনপি নেতা আবুল খায়ের সিলেট গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন হাইকমিশনে হামলা এবং লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে সিলেটের পুলিশ। আর এই মামলা দিয়েছেন ম্যানচেস্টার যুবলীগের সহ সভাপতি কামাল আহমেদ।  
আবুল খায়েয়ের বিষয়ে জানতে ওসমানী নগর থানায় ফোন করেছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী। ফাঁস হয়ে যায় সেই ফোনালাপ। প্রচার করা হচ্ছে- শফিকুর রহমান হাইকমিশনে হামলাকারী বিএনপি নেতাকে ছাড়াতে তদবির করেছেন। ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপে পুলিশ কর্মকর্তার কথা থেকেই বিএনপি নেতার গ্রেফতারের আসল রহস্য বেরিয়ে এল।
 গ্রেফতার হওয়া যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা আব্দুল খায়ের সম্প্রতি বাংলাদেশে বেড়াতে গেলে গত ২১ আগস্ট রাতে ওসমানীনগর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উপজেলার উসমানপুর ইউপির রাউৎখাই গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে।  
ম্যানচেস্টার যুবলীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমদও একই এলাকার মানুষ। দুজনে ঈদ করতে দেশে যান। সেখানে তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ বাধে। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল খায়েরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ম্যানচেস্টার প্রবাসী কামাল আহমদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য সফরকালে তাঁর গাড়ি বহরে ডিম নিক্ষেপ ও বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘটনায় গত ২১ আগস্ট ওসমানীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন তিনি। মামলা নং-১৩। মামলায় তিনি লন্ডন যুবদলের সভাপতি আব্দুল খায়েরসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করেন; এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করেন।  
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে হাইকমিশনের ওই ঘটনাকে কাজে লাগালেন কামাল আহমদ। তাঁর এমন কাণ্ডের কারণে দেশে যাওয়া মাত্রই যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতাদের সরকার গ্রেফতার করছে বলে আতঙ্ক বেশ প্রচার পাচ্ছে। আর এ জন্য সরকারের তুমুল সমালোচনাও হচ্ছে।