Share |

নো কনফিডেন্সের শিকার আরেক লেবার এমপি

পত্রিকা রিপোর্ট        
লন্ডন, ১ অক্টোবর : দলীয় কর্মীদের নো কনফিডেন্স ভোটে ধরাশায়ী হয়েছেন লেবার দলের এমপি ক্রিস লেসলি। তিনি নটিংহ্যাম ইস্ট আসনের এমপি। তিনি শ্যাডো কেবিনেটেও ছিলেন।         
শনিবার তাঁর নির্বাচনী এলাকার লেবার সদস্যদের আনা নো কনফিডেন্ট মোশনের ওপর ভোটাভুটি হয়। এতে উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য নিজ দলের এমপির প্রতি আস্থা নেই বলে রায় দেন। ফলে আগামী নির্বাচনে এই আসনে ক্রিস লেসলি লেবার দলের পক্ষে আর সরাসরি মনোনয়ন পাবেন না। তাঁকে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে পুনরায় মনোনয়ন আদায় করে নিতে হবে।        
লেবার দলের অনেক এমপি দলটির নেতা জেরেমি করবিনের প্রকাশ্য বিরোধীতা করে আসছেন। কিন্তু দলটির তৃণমূলে করবিনের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। করবিন বিরোধী এমপিদের শায়েস্তা করতে দলের তৃণমূল সদস্যরা এমপির বিরুদ্ধে নো কনফিডেন্ট মোশন আনছেন।   সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলীয় সম্মেলনে লেবার পার্টি নো কনফিডেন্স আনার নিয়ম আরও শিথিল করে। আগে এমপির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাশের জন্য স্থানীয় সদস্যদের ৫০ শতাংশ ভোটের প্রয়োজন হতো। এখন সেটি কমিয়ে ৩৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। ফলে ৩৩ শতাংশ সদস্য কোনো এমপির বিরুদ্ধে অনাস্থা দিলেই সংশ্লিষ্ট এমপিকে পুনরায় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে আসতে হবে। রীতি অনুযায়ী এমপিরা পরবর্তী নির্বাচনে বিনা বাধায় দলের মনোনয়ন পেয়ে থাকেন।    
নটিংহ্যাম ইস্ট লেবারের চেয়ার লুইস রিগ্যান জানিয়েছেন, সদস্যরা স্বতস্ফুর্তভাবে এমপি লেসলির বিরুদ্ধে নো কনফিডেন্স ভোটে অংশ নিয়েছে। সদস্যদের লক্ষ্য হলো দলকে আগামী সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতায় নেওয়া। সেই লক্ষ্যে সবাই ক্যাম্পেইনে নামবে। অন্যদিকে এমপি লেসলি দুঃখ করে বলেছেন, পার্টির  ভেতরে এখন আর ভিন্নমতকে সহ্য করা হচ্ছে না। হাজার হাজার ভোটারের ভোটে নির্বাচিত হলেও  মিটিংয়ে আসা অল্প সংখ্যক দলীয় সদস্যের মতামতকেই এখন গুনতে হবে।
এর আগে লুটন সাউথের এমপি গ্যাভিন শোকার, এনফিল্ড নর্থের এমপি জুয়ান র‌্যায়ান এবং ফ্র্যাঙ্ক ফিল্ড এমপি নো কনফিডেন্স ভোটে পরাজিত হয়েছেন। ফ্র্যাঙ্ক ফিল্ড চলতি মাসে পার্লামেন্টে লেবার পার্টির হুইপ ত্যাগ করেন। এরা সকলেই করবিন বিরোধী বলে পরিচিত।