Share |

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই ইউকের সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

নিলুফা ইয়াসমীন হাসান
লন্ডন, ৪ মার্চ : ব্যারিস্টার আনিস রহমান ওবিইকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ আব্দুর রকীবকে সাধারণ সম্পাদক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই ইউকের ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। 
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রোববার লণ্ডনে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত সংগঠনের প্রথম দ্বিবার্ষিক সভায় এই কমিটি গঠিত হয়।  পূর্ব লন্ডনের একটি হলে আয়োজিত বিদায়ী কমিটির আহ্বায়ক ব্যারিস্টার আনিস রহমান ওবিইর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মারুফ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম।  যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে সকাল এগারোটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সারাদিনব্যাপী চলা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয় মহান একুশে ফেব্রুয়ারির আলোচনা। মিডিয়া ব্যক্তিত্ব তানভীর আহমেদ ও কিশোয়ারা মুনিয়ার উপস্থাপনায় আলোচনার শুরুতে ভাষা শহীদদের সম্মানে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। একুশের আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হাবিব রহমান, দেওয়ান গৌস সুলতান, আবু মুসা হাসান ও ড. মোহাম্মদ আবদুল হান্নান। 
বক্তারা ভাষা দিবসের তাৎপর্য, শোকের একুশ থেকে বর্তমানে অহংকারের একুশে পদার্পণের ইতিহাস এবং ঢাকায় একুশ উদযাপনের স্মৃতি তুলে ধরেন। এখানকার নতুন প্রজন্ম ও কমিউনিটির অন্যান্য ভাষার মানুষের কাছে ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রভাতফেরী সকালে অনুষ্ঠিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে করেন। সংগঠনের সদস্যদের ছেলেমেয়েরা একুশের অমর গান ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গান গাওয়ার সময় ভাষা দিবসের বিভিন্ন শ্লোগান সম্মলিত প্লেকার্ড বহন করে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ব্যারিস্টার আনিস রহমানের সূচনা বক্তব্যের পর সদস্য সচিব মারুফ চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আবুল কালাম গত দু‘বছরের রিপোর্ট পেশ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে এসে গর্বিত উল্লেখ করে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন, ভাষা আন্দোলন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা ও অধিকার হরণের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বার বার গর্জে উঠেছে। পঞ্চাশের দশকে মায়ের ভাষা রক্ষার আন্দোলন আমাদের পূর্বসূরীদের আত্মদান বিশ্বের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা রক্ষার জন্য প্রেরণা যোগাচ্ছে। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলা নামের একটি আলাদা রাষ্ট্রের যে কোন বিকল্প নেই বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই প্রথম তা জানান দেয়। ঐ আন্দোলনের অন্যতম নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ নামের এই রাষ্ট্র ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে নিজের স্থান করে নেয়।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাইর সদস্যরা নিজেদের সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশকে আরো উজ্জ্বল করে তুলে ধরতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করে হাইকমিশনার এলামনাইর সৃজনশীল কাজে হাইকমিশন পাশে থাকবে বলে আশ্বস দেন।  ব্যারিস্টার আনিস রহমান তাঁর বক্তব্যে সংক্ষেপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি গত দু‘বছর সংগঠনের কর্মকাণ্ড বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বিদায়ী কমিটির সদস্য সচিব মারুফ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ প্রতিষ্ঠার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ্যলামনাই গঠনের তাগিদ দীর্ঘদিন যাবত অনুভূত হচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর আমরা প্রথম সভা করি। ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালামনাই ইউকের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং অসাম্প্রদায়িক এই সংগঠন তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালামনাই ইউকের বর্তমানে সদস্য ২৯২ জন। আমাদের একটিই পরিচয় আমরা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি জানান, শুধুমাত্র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধ সৃদৃঢ় করা ও পুনর্মিলনী আয়োজনই এই সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য নয়- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন বৃত্তি প্রদানের প্রস্তুতি নিয়েছে সংগঠনটি।
এই পর্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এলামনাই শাহগীর বখ্ত ফারুক, মুহাম্মদ আব্দুর রকীব, সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক, চৌধুরী হাফিজুর রহমান, মাহেরুন আহমেদ মালা প্রমুখ।
সাথারণ সভা শেষে ২০১৯-২১ সালের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই ইউকের নির্বাচিত ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের সদস্য হাবিব রহমান, মোহাম্মদ আবদুল হান্নান ও আমিরুল ইসলাম চৌধুরী।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলরা হচ্ছেন- সিনিয়র সহসভাপতি দেওয়ান গৌস সুলতান, সহ সভাপতি ইসমাইল হোসাইন, অজয় রায় রতন ও সিরাজুল বাসিত চৌধুরী। যুগ্ম সম্পাদক বিধান গোস্বামী, সলিসিটর সৈয়দ আবু আকবর আহমেদ ইকবাল ও ব্যারিস্টার হাফিজুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ হামিদুল হক। যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ ফখরুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার কাজী আশিকুর রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দীন, প্রশান্ত দত্ত পুরকায়স্থ ও আবদুল মুকিত চৌধুরী। সাংস্কৃতিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নিলুফা ইয়াসমীন হাসান এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাহারুন আহম্মেদ ।
কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন- শাহাগীর বখত ফারুক, মারুফ আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, রিপা সুলতানা রকীব, সলিসিটর সোহেল আহমেদ, মির্জা আসাব বেগ, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আবুল কালাম, এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ আনিসুজ্জামান, মোস্তফা কামাল মিলন, প্রদীপ মজুমদার, সলিসিটর মোহাম্মদ কামরুল হাসান, এ্যারিনা সিদ্দিকী, মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম ও ইউসুফ ইকবাল।  মধ্যাহান ভোজের পর তানভীর আহমেদ ও এ্যারিনা সিদ্দিকী সুপ্রভার উপস্থাপনায় ‘সব কয়টা জানালা খুলে দাও না ওরা আসবে‘ নৃত্যের মাধ্যমে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে অধিকাংশ শিল্পীই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইর সদস্য। এছাড়া সঙ্গীত পরিবেশন করেন শুভ্রা মুস্তাফা, রিপা রকীব, সুমন শরীফ, নাদিয়া নিহাদ, ড. শ্যামল চৌধুরী, মোস্তফা কামাল মিলন, কে জি বি কনক, কাজী কল্পনা, তামান্না ইকবাল, নওরীন ও আনিকা। তানজিনা নূর-ই সিদ্দিকীর কবিতা আবৃত্তি সবাইকে মুগ্ধ করে। দুটি নৃত্য পরিবেশন করেন মৌ। শুভ্রা মুস্তাফার গাওয়া ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা‘ ও কে জি বি কনকের ‘দিন যায় কথা থাকে‘ গান সবাইকে অতীত স্মৃতি রোমান্থনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সারাদিনব্যাপী আনন্দ উল্লাসের মিলন মেলার শেষ পর্বে ছিল মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় আকর্ষণীয় রাফেল ড্র।
দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে শপথ নিলে কী হয়?
ইতিমধ্যে ঐক্যফ্রন্ট ছাড়া অন্য দলগুলোর নির্বাচিত সাংসদেরা সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। গত ৩০ জানুয়ারি একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে। সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচিত কোনো সদস্য সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠক থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ না করলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। এই হিসাবে সংসদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে গণফোরাম বা তাদের দলের দুই সদস্যের সামনে এপ্রিল পর্যন্ত সময় রয়েছে। অবশ্য দুই সাংসদ তার আগেই শপথ নিচ্ছেন।
গণফোরাম সূত্র জানায়, সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খানকে সংসদে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার পক্ষ থেকে এক ধরনের তৎপরতা আছে। বিশেষ করে রাজনীতির ময়দানে কোণঠাসা বিএনপিকে আরও কোণঠাসা করার জন্য এই তৎপরতা চালানো হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দল রাজি না হলে দুই সাংসদ যাতে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদে যোগ দেন, সরকারি দলের পক্ষ থেকে সেই তৎপরতাও আছে। যে কারণে এই দুই সাংসদ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদে যোগ দিলে তাঁদের আইনি পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে সরকারি দল ও ঐক্যফ্রন্টের টেবিলে চুলচেরা বিশ্লেষণ হয়েছে। আইন ও সংবিধান অনুযায়ী সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদে যোগ দিলে কী ঘটবে? এ বিষয়ে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো সাংসদ নির্বাচনের পর সাংসদ পদে থাকার অযোগ্য হবেন কি না, কিংবা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো সাংসদের আসন শূন্য হবে কি নাচ্চএ সম্পর্কিত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে বিষয়টি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনের নিকট পাঠানো হবে এবং এ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।
এ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান দল থেকে পদত্যাগ করেননি। সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার বিষয়টি তো আরও পরের কথা। তবে তাঁরা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদে যোগ দিলে এবং ওই অবস্থায় দল তাঁদের বহিষ্কার করলে পরিণতি কী হবে, সে বিষয়ে আইনে স্পষ্ট কিছু বলা নেই।
গত ৩০ ডিসেম্বর গণফোরামের দুই সাংসদ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। সুলতান মনসুর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনে এবং মোকাব্বির সিলেট-২ আসনে উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। এই নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র আটটি আসনে জয় পায়। নির্বাচিত আটজনের মধ্যে ছয়জন বিএনপির এবং দুজন গণফোরামের। ঐক্যফ্রন্ট এই নির্বাচনের এই ফল বর্জন করে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দেয়।
এ ক্ষেত্রে অতীতের দুটি ঘটনা তুলে ধরা যেতে পারে। নবম সংসদের শেষের দিকে জাতীয় পার্টি থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাংসদ এইচ এম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংসদে তাঁর সদস্যপদ স্বতন্ত্র সাংসদ হিসেবে বহাল ছিল। তারও আগে অষ্টম সংসদের (২০০১-২০০৬) শেষের দিকে ক্ষমতাসীন বিএনপি থেকে রাজশাহী-৪ আসনের সাংসদ আবু হেনাকে বহিষ্কার করা হয়। সে ক্ষেত্রেও তাঁর সদস্যপদ বহাল ছিল। দুটি ক্ষেত্রেই সংসদের ব্যাখ্যা ছিল, দল তাঁদের বহিষ্কার করেছে কিন্তু তাঁরা দল থেকে পদত্যাগ করেননি। যে কারণে তাঁদের সদস্যপদ বহাল ছিল।
দশম সংসদে সরকারদলীয় সাংসদ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দল থেকে পদত্যাগ করেন। এ কারণে তিনি সংসদ সদস্যপদ হারান। আপাতত অপেক্ষা, দুই সাংসদ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাচ্ছেন কি না। আর যদি যান তবে বিতর্কটি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে, নাকি বিতর্ক ছাড়াই তাঁরা সংসদে বসার সুযোগ পাবেন।