Share |

৫২ বাংলা টিভির বর্ণাঢ্য প্রতিষ্ঠাবার্ষিক উদযাপন : দুইজন গুণী সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদকে সম্মাননা প্রদান

লন্ডন, ৪ মার্চ : ’দুই বছরে পা, বিশ্বায়নে বাংলা’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে লন্ডন থেকে প্রচারিত অনলাইন চ্যানেল ৫২বাংলা টিভির জমজমাট বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে দুজন গুণী সাংবাদিককে সম্মাননা জানানো হয়েছে। এছাড়াও অনুষ্ঠানমালায় ছিল ৫২বাংলা এওয়ার্ডপ্রাপ্তদের কর্মতৎপরতা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্রের প্রদর্শনী, সঙ্গীত মৌলিক গান ও কবিতা আবৃত্তির পরিবেশনা। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে ছিল বিলেতের বিভিন্ন পেশা ও সংগঠক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া কর্মীদের সপ্রাণ উপস্থিতি। 
৫২বাংলা লাইফটাইম এচিভম্যান্ট এওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে- মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক ইসহাক কাজলকে। আশির দশকের এই সাংবাদিক ও লেখকের প্রকাশিত বই ১৬টি। তিনি যুক্তরাজ্যের প্রাচীনতম সাপ্তাহিক জনমতের পলিটিকেল এডিটর হিসাবে কর্মরত। ইসহাক কাজল বিলেতে সর্বমহলে একজন প্রগতিশীল সৎ, প্রতিবাদী, মুক্ত চিন্তা -চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ধারণ করে চলা শ্রদ্ধেয়জন।
৫২বাংলা বিশেষ সম্মাননা এওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কমিউনিটি একটিভিস্ট ও গণমাধ্যমকর্মী সৈয়দ আফসার উদ্দিনকে। দীর্ঘ দিন যুক্তরাজ্যে বিবিসি ওয়ার্? সার্ভিস রেডিও ও ভয়েস অফ আমেরিকা রেডিও লন্ডন’র সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেছেন। ২৫ বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় থেকে ব্রিটেনের মূলধারার স্কুল ও কলেজের কালিক্যুলামে বাংলা ভাষা শিক্ষা বহাল রাখার জন্যে ১৯৯৩ সাল থেকে আন্দোলন করছেন। সৈয়দ আফসার উদ্দিন চ্যানেল এস এর সিনিয়র সংবাদ প্রেজেন্টার হিসেবে কর্মরত। 
প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চিকিৎসা সেবায় অনলাইন মাধ্যমে সেবা প্রদানে যুগান্তকারী অবদান রাখা বিশিষ্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ সার্জন ও প্রফেসর শাফি আহমদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস বারার মেয়র জন বিগস, মাইগ্রেন্ড ভয়েসের চেয়ারম্যান হাবিব রহমান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী, কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা ও ৫২বাংলা টিভির প্রধান নির্বাহী ও প্রধান সম্পাদক ফারুক যোশী।
২৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব লন্ডনের এনসাইন ক্লাবে আয়োজিত প্রাণজ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ৫২ বাংলা টিভির সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম অভি। প্রধান অতিথি প্রফেসর শাফি আহমদ তাঁর চিকিৎসা জীবনের বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সোস্যাল মিডিয়ায় কীভাবে ১৩২টি দেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষার্থী ও তিন কোটিরও বেশী দর্শক সহ চিকিৎসা সেবাকে পৃথিবীর মানুষের কাছাকাছি নিয়ে গেছেন, তার বর্ণনা দেন। তিনি কীভাবে পৃথিবীর চিকিৎসা জগতের প্রথম আবিস্কার লেজার অপারেশনের মাধ্যমে লাখো লাখো শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা সেবা সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলে ধরেছিলেন, সেই বিস্ময়কর ঘটনার ব্যাখ্যা করেন।
নিজে একজন অনলাইন একটিভিস্ট হিসেবে তিনি কীভাবে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত থাকেন এবং অনলাইন মাধ্যমে কীভাবেই হাতের মুঠোয় চলে গেছে এ পৃথিবী- ১৩২টি দেশের সাথে কাজের অভিজ্ঞতার বর্ণনায় সে ব্যাখ্যাটি উল্লেখ করেন শাফি আহমদ।  ‘৫২বাংলা এক বছরে যা করেছে এবং আজকের অনুষ্ঠানের ক্রিয়েটিভ প্রেজেনটেশন-ই বলে দিচ্ছে, টিম৫২বাংলা ইজ ওয়ার্কিং গ্লোবালি, র‌্যাপিডলী , বলেও মন্তব্য করেন ভার্চূয়াল চিকিৎসার পথিক্ৎৃ এই সার্জন।
অনলাইন টিভি কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যাপকতার কথা তুলে ধরে বলেন, ৫২ এর ভাষা এবং ৭১ আমারও মনে শ্রদ্ধায় আছে। ৫২বাংলা টিভির ‘কানেকন্টিং বাংলা‘র মিথটি আমার কাছে খুবই ইতিবাচক।বাংলাদেশ বিশ্বে ফেইসবুক ব্যবহারকারী দেশ এর মধ্যে অন্যতম। তথ্যগত ভাবে এটাও বলা যায় বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তথ্যপ্রবাহে যুক্ত আছেন।
৫২বাংলা গুনীজন সম্মাননার প্রসঙ্গ টেনে বলেন- মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং সম্মান প্রদর্শন করাই বর্তমান বিশ্বে অন্যতম কাজ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। যে কাজটি ৫২বাংলা করছে এবং এই ক্রিয়েটিভ সংবাদ মাধ্যমের যে কোন ইতিবাচক কাজে আমি আগামীতে পাশে থাকবো।  বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী হাবিব রহমান যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি হিসেবে অভিবাসীদের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে নানা বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশে কিছু গণমাধ্যমের উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ পরিবেশনের তিক্ত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন।
ফেইক নিউজের প্রসঙ্গ টেনে বলেন-সংবাদ ও সংবাদ পরিবেশনে সৎ এবং সাহসিকতায় উন্নয়ন সাংবাদিকতা বর্তমান সময়ে বেশী প্রয়োজন। যুক্তরাজ্যের একজন প্রভাবশালি প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তার বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদের খরছ যোগাতে দেড় লাখ পাউন্ডের তহবিল কীভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে এক সপ্তাহে প্রায় সোয়া দুই লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করেছেন, এ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং এর ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন।
‘ষাট এর দশকে বাঙালিদের প্রেরণার মূল উৎস ছিল ৫২‘র একুশে ফেব্রুয়ারি। বাংলা সংযোগ দেশে দেশে শ্লোগানে ৫২বাংলার বিশেষ করে নতুন প্রজন্মদের সম্পৃক্ততায় নিয়ে কাজ করার দিকগুলো তাদের আলোকিত আগামীর প্রত্যয় দিচ্ছে ‘ বলে মন্তব্য করেন মাইগ্রেন্ট ভয়েস-এর চেয়ারম্যান হাবিব রহমান।
বিশেষ অতিথি টাওয়ার হ্যামলেটসে নির্বাহী মেয়র জন বিগস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ৫২বালার বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানটি অনলাইন টিভি নিয়ে তার এক ভিন্ন ধারণা তৈরী করেছে। ৫২বাংলা কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে শুরু থেকে প্রসংশনীয় কাজ করছে। নির্বাহী মেয়র হিসেবে যুক্তরাজ্যের অন্যান্য গণমাধ্যমের সাথে যেভাবে টাওয়ার হ্যামলেটস কাজ করছে, ঠিক সেভাবেই ৫২বাংলার সাথে তিনি কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।  লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বাংলাসহ কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ সার্ভিস বন্ধে টাওয়ার হ্যামলেটসের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। ভাষার মাসে ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে কাউন্সিল মিটিংয়ে কমিউনিটিবিরোধী এ সিদ্ধান্ত নিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দেয়াকে তিনি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার প্রতি, জাতির প্রতি অবমাননা এবং সর্বোপরি ভাষা শহীদদের প্রতি তামাশার শামিল বলে মন্তব্য করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে ডিজিটাল মাধ্যম তথা অনলাইন টিভির পাশাপাশি প্রিন্ট মিডিয়ার টিকে থাকার গুরুত্বের দিকটিও তুলে ধরেন।  বাংলা ভাষি সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়া সব সময়ই কমিউনিটিবান্ধব চিন্তা চেতনায় কাজ করলেও তাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে; এর অন্যতম কারণ অর্থনৈতিক দৈন্যতা। সমাজের ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিত্তশালী, কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও পাঠক-দর্শকদের সংবাদমাধ্যমকে শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসার আহবান জানান বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী।
কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোশিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাহাস পাশা তাঁর বক্তৃতায় ৫২বাংলা অনলাইন টিভি’র বর্ষপূর্তির এই সময়টাকে একটি অসাধারণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রিন্ট মিডিয়ার দুর্দিনে সময়কে ধারণ করে নতুন চিন্তায় আগামীর পরিকল্পনার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার বিষয়টি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন। 
‘সংবাদ ও পাঠক সংযোগে নতুন চিন্তা এবং বিশ্বব্যাপীদ্রুত সময়ে তা প্রচারে অনলাইন মাধ্যমের বিকল্প নেই। এই বাস্তবতা নিয়ে বিশেষ করে প্রবাসে সংবাদপত্রগুলোর ভাবনার বিষয়টি বর্তমান সময়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের এই সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশা। 
৫২বাংলার প্রধান সম্পাদক ফারুক যোশী ভূমিকা বক্তব্যে টিম৫২বাংলার সকল সংবাদ কর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, বাংলা সংযোগ দেশে দেশে শ্লোগানে আমাদের অনিশেষ যাত্রায় প্রতিশ্রুতিশীল সংবাদকর্মীদের কাজগুলো আরও কমিউনিটিবান্ধব, প্রবাসীদের সমস্যা ও উত্তরণের দিকসহ ইতিবাচক বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে তুলে ধরার লক্ষ্যেই কাজ করবে।
শুরুতে বায়ান্ন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং সম্প্রতি ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।  বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে ৫২বাংলা সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। যুক্তরাজ্যে দুজন গুনী সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে সমানা প্রদান করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক ইসহাক কাজলকে ৫২বাংলা লাইফ টাইম এচিভম্যান্ট এওয়ার্ড এবং শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আফসার উদ্দিনকে ৫২বাংলা বিশেষ স্বীকৃতি এওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এই দুই গুনীজনের কর্মতৎপরতা নিয়ে নির্মিত দুটি তথ্যচিত্রও অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়। 
সৃজনশৈলীর তিন পর্বের অনুষ্ঠানমালায় ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান- মৌলিক ও দেশের গাণ পরিবেশন করেন জনপ্রিয় শিল্পী বিনায়ক দেব জয়। কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী নাজমুল হোসেন, ফখরুল আম্বিয়া ও ফয়েজ নূর।
অনুষ্ঠানে টিম৫২বাংলা ইউকে কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় এবং তাঁরা শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা হলেন- পরিচালক ও হেড অফ কমিউনিকেশন এনাম উদ্দিন, পরিচালক ও হেড অফ মার্কেটিং আবু হাসনাত, এম এ জামান; সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লন্ডন, শামসুর সুমেল কমিউনিটি করেসপন্ডেন্ট ও প্রধান আলোকচিত্রী, সাদিক রহমান কো-অর্ডিনেটর ও নর্থলন্ডন করেসপন্ডেন্ট, ফখরুল আম্বিয়া সাউথওয়েস্ট করেসপন্ডেন্ট, আমিনুল হক ওয়েছ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ম্যানচেস্টার, তৈয়বুর রহমান শ্যামল ম্যানচেস্টার করেসপন্ডেন্ট। ৫২বাংলা টিভির অন্যতম পরিচালক ও বার্তা সম্পাদক আরব আমিরাত প্রবাসী লুৎফুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের অনুষ্ঠান সমন্বয়ের দায়িত্বে ব্যস্ত থাকায় যুক্তরাজ্যের ৫২বাংলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিক ও এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি। অনুষ্ঠানে টিম ৫২বাংলার পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞাতা এবং শুভেচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। দুবছরে পা বিশ্বায়নে বাংলা শিরোনামে ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া ও অশেনিয়ার বিভিন্ন দেশে কর্মরত সংবাদকর্মীদের পরিচিতি ও এক বছরের অগ্রযাত্রার কিছু উল্লেখযোগ্য সংবাদ ও প্রতিবেদন নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ৫২বাংলা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ আমাদের প্রাণের সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব এবং যুক্তরাজ্যে সকল প্রিন্ট ও ইকেট্রনিকস সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দের কাছে। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। অনুষ্ঠানে তাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ৫২বাংলা। তারা হলেন কেয়ার কো ইনসুরেন্স, মুহিত এন্ড কোং, এফ এম জে প্রপাটিজ, ফেইথ প্রিন্টিং, ফেয়ারড্রিল, তারকিউসি রেস্টুরেন্ট, করিয়ান্ডা গ্রুপ, ফেয়ার ড্রিল মানি একচেঞ্জ, মদিনা ট্রেভেলস, ক্রাউন কিচেন, বাংলাদেশম সেন্টার, জালালাবাদ এসোসিয়েশনে ইউকে, বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি, পূর্বমুড়িয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, দি বড়লেখা কমিউনিটি ট্রাস্ট, বিয়ানীবাজার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, প্রগতি এডুশেকশন ট্রাস্ট, বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতি প্রমুখ। 
লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব এবং যুক্তরাজ্যে সকল প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক সংবাদ পত্রে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ৫২বাংলা।  উল্লেখ্য, ৫২ বাংলা টিভি লন্ডন থেকে প্রচারিত হয়। বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্বের প্রায় ১৫টি দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ বর্ণাঢ্য বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান। ৫২ এবং ৭১কে ধারণ করে উন্নয়ন সাংবাদিকতা এবং প্রবাসে ইতিবাচক বাংলাদেশকে তুলে ধরে এ চ্যানেল আগামী দিনে পথ চলবে এমন প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম অভি।