কোনটা সবচেয়ে বেশি শোকের? ১৯৫০, না ২০১৪ বিশ্বকাপ। মারাকানা না বেলে হরিজোন্তের মিনেইরো? ব্রাজিলের সাধারণ মানুষের কাছে একটা পুরোনো ঘা, আরেকটা নতুন

উৎপল শুভ্র, ব্রাসিলিয়া থেকে
বিশ্বকাপ শুরুর আগে লুইস ফেলিপে স্কলারিকে যদি বলা হতো, আপনার দলের এমন দুজন খেলোয়াড়ের নাম বলুন, যাঁদের আপনার

বিশ্বকাপ ফুটবল উম্মাদনার বাকী মাত্র কয়েকদিন। ১২ জুন পর্দা উঠছে বিশ্বক্রীড়ার সবচেয়ে বড় এই আসরের।  এবারের আয়োজক লাতিন আমেরিকার তুখোড় ফুটবল

২৬ মে : কার মালা কে পরে, কার হাসি কে হাসে! ফুটবল সত্যিই বড় নির্মম। আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড পার করতে পারলেই চ্যাম্পিয়ন্স লীগের রঙ হয়ে যেত লাল-সাদা

১২ মে : ড্র করলেই চলত। কিন্তু সেটা তো ঠিক চ্যাম্পিয়নসুলভ হয় না! ওয়েস্ট হামকে তাই নিজের মাঠে ২-০ গোলে হারিয়েই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি ঘরে

২৮ এপ্রিল : ছেলেগুলো মফস্বল বা গ্রাম থেকে আসা। প্রায় সবাই নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারের। শহরের আধুনিক কেতাকায়দা জানে না। এলিট সমাজের মতো

ঢাকা, ৭ এপ্রিল : ড্যারেন স্যামি তাহলে ঠিকই বলেছিলেন! ঈশ্বরই চেয়েছেন, ওই দুজনের বিদায়টা যেন স্মরণীয় হয়। আলো ঝলমল মিরপুরে হাজার ওয়াটের হাসি ছড়িয়ে

ঢাকা, ৩১ মার্চ : পাকিস্তানের বিপক্ষে লম্বা রানের ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় গ্যালারিতে হতাশ দর্শক -নিজস্ব ছবি দৃশ্যপটের পরিবর্তন হলো না। সেমিফাইনালে

ঢাকা, ৬ জানুয়ারি : কিংবদন্তি ফুটবলার পর্তুগালের ইউসেবিও আর নেই। তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব। ফুটবল দুনিয়ার বিশিষ্টজনেরা পর্তুগালের এই