(১৯৯৮ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোর সূচনা সংখ্যায় প্রথম আলোকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এই লেখা লিখেছিলেন সদ্য প্রয়াত আবদুল গাফ্ফার

রেণু লুৎফা

৪ মে ২০২২। বুধবার। ফোন করি গাফফার ভাইয়ের মোবাইল নাম্বারে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুয়ে ফোন ধরলেন। কথা বলতে বলতে টের পাই

কাজী জাওয়াদ

গাফফার ভাইয়ের একটা লেখা আসলেই আমার নামে পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। ১৯৭৪ সালের সেই ঘটনার জন্য আমার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কেমন করে

মাসুদ রানা

আমি জানতাম না যে, আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই! গতকাল সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক এমাদ চৌধুরী যখন আজ সন্ধ্যের মধ্যে গাফফার

গাজিউল হাসান খান

কিংবদন্তীতূল্য লেখক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর সাথে আমার বয়সের বেশ কিছুটা ব্যবধান থাকলেও সাংবাদিকতার

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বাদশাহর জীবন অত্যন্ত নাটকীয়। তার চরিত্র ছিল অনেকটা রবীন্দ্রনাথের মায়াবর্ণ হরিণির মতো। রবীন্দ্রনাথের মায়াবর্ণ হরিণি

মতিউর রহমান চৌধুরী
আমরা অনেকেই আব্দুল্লাহ কুইলিয়ামের নাম শুনেছি। কিন্তু তিনি কে ছিলেন, কি করেছেন, কিভাবে ইসলামে এলেন বা দাওয়াত দিলেন সে

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমি ঢাকায় ফিরতে পারিনি। আমার স্ত্রী তখন সন্তানসম্ভবা। বালিগঞ্জ হাসপাতালে রয়েছে। ডাক্তাররা বললেন

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বাদশাহ যখন ঢাকায় থাকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তখন একাধিক ছাত্রী তার প্রেমে পড়েছিল। তাদের মধ্যে একজন প্রেমে