পত্রিকা ডেস্ক লণ্ডন, ১৩ জুন: ইউক্রেনের এক কিশোরী যুক্তরাজ্যের ভিসাবঞ্চিত হওয়ায় তীব্র সমালোচনা করেছেন লেবার দলীয় এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। হাউস অব কমন্সে বিষয়টি উত্থাপন করে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ১৩ বছরের ওই কিশোরীর ভিসার আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় তাকে ইউক্রেনের অবরুদ্ধ শহরের বাড়িতে ফিরে যেতে হয়েছে। পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ওই কিশোরীর ১৮ বছর বয়সী বোন বর্তমানে লণ্ডনে অবস্থান করছেন। কিন্তু তাঁর ছোট সহোদরকে ইউক্রেনে ফিরে যেতে হয়েছে। কারণ, মা-বাবার সঙ্গে না আসায় ওই কিশোরীর ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। এই লেবার এমপি বলেন, তাঁর নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যদের একজন দুই বোনকে যুক্তরাজ্যে আনার ক্ষেত্রে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার চেষ্টা করছেন। টিউলিপ বলেন, ‘মন্টেনেগ্রোতে এই দুই বোনকে কয়েক সপ্তাহ ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী আবাসনে রাখা হয়েছিল। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছোট বোনের আবেদন গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। কারণ, তার বয়স ১৩ বছর এবং মা-বাবাকে ছাড়াই সে ভ্রমণ করছিল। যদিও ওই সময় তার সঙ্গে ১৮ বছর বয়সী বড় বোন ছিলেন।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উদ্দেশে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ‘আমি কি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে পারি, তিনি কি বুকে হাত রেখে বলতে পারেন- ঝুঁকির মধ্যে থাকা শিশুদের যুদ্ধাঞ্চলে ফেরত পাঠানো কি সঠিক নীতি?’ জবাবে বরিস জনসন বলেন, তিনি এমপির ‘ক্ষোভের’ কারণ বুঝতে পেরেছেন। বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেখবেন বলে তিনি জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ইউক্রেনীয়দের জন্য ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভিসা দেওয়া হয়েছে, যা প্রশংসনীয়। বোনদের এ ঘটনার বিষয়ে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চেয়েছি।’ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের লাখো মানুষ ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যের ভিসা পেতে তাঁদের জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য যুক্তরাজ্য সরকার বলছে, অন্য কেউ যাতে এ সংকটের সুযোগ নিতে না পারে, সে জন্য ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বাড়তি যাচাই-বাছাইয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে।

আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখুন
আমাদের হৃদযন্ত্রের কাজ হলো শরীরে রক্ত সঞ্চালন (পাম্প) করা। কার্ডিওভাসকুলার রোগ (সিভিডি) হৃদযন্ত্রের বা রক্তনালীগুলোর উপর প্রভাব ফেলে এবং এই রোগ বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যু ও মানুষের অসক্ষম (ডিসএবল) হয়ে পড়ার প্রধান কারণ। তাই আমাদের বোঝা প্রয়োজন- কীভাবে আমাদের...