আরএসভি সংক্রমণ থেকে নিজেকে ও প্রিয়জনকে সুরক্ষিত করুন

“আরএসভি সংক্রমণের গুরুতর উপসর্গ থেকে সুরক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে টিকা নেওয়া এবং এটি আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।”

ডাঃ মোহিত মন্দিরাদত্তা
জিপি, ওয়েস্ট মিডল্যাণ্ডস

আরএসভি সংক্রমণ থেকে নিজেকে ও প্রিয়জনকে সুরক্ষিত করুন

“আরএসভি আক্রান্ত হলে তা থেকে সব শিশু গুরুতর ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে। গর্ভাবস্থায় আপনি আরএসভি টিকা নিলে তা আপনার শিশুকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে।”

ডাঃ ওজি ইলোজু
জিপি, লণ্ডন

আরএসভি সংক্রমণ থেকে নিজেকে ও প্রিয়জনকে সুরক্ষিত করুন

“বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই তাদের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি হয়ে থাকে। তারা সহজেই এটিতে আক্রান্ত হতে পারেন এবং এক্ষেত্রে গুরুতর উপসর্গ সৃষ্টির আশঙ্কাও বেশি থাকে।”

উত্তাল মার্চ

শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

অন্যমত

মেট্রোরেলে চড়ার আশায় দিন গুনছি

১৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | অন্যমত

লণ্ডনের চিঠি

সাগর রহমান

বসে বসে ঢাকার মেট্রোরেল দেখছিলাম ইউটিউবে। স্টেশানের ডিজাইন, টিকেট কাটার মেশিন, উপরে এবং নিচে উঠা-নামার সুব্যবস্থা, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রেলে ঢোকার দরজায় ডিজাইন- সব মিলিয়ে চমৎকার লাগছিল। নিঃসন্দেহে একটা উত্তম কাজ হয়েছে। গতবার যখন ঢাকায় গিয়েছি, শাহবাগ থেকে মিরপুর যেতে উবারে ঝাড়া তিনঘন্টা বসেছিলাম বলে পরবর্তীতে ঢাকার রাস্তায় বেরুনোর কথা উঠলেই হাঁসফাঁস লাগতে শুরু করতো। ঢাকায় যেসব বন্ধুরা থাকেন, তারা দেখলাম চলাচলের দিব্যি একটা নিজস্ব ‘সিস্টেম’ করে নিয়েছেন। দিনের কোন এলাকায় কোন রাস্তাঘাট তুলনামূলক ব্যস্ত থাকে, সেসব তাদের মুখস্ত। তারওপর রাস্তাঘাটের লাইভ আপডেট হওয়া এ্যাপ আছে। সেসবও ব্যবহার করে চমৎকার একটা সহাবস্থান তৈরি করে নিয়ে চলাফেরা করেন। সমস্যা হয়, আমরা যারা কয়েকদিনের জন্য বেড়াতে যাই, তাদের। কিছু বুঝে না বুঝে যেদিকে যখন যাবার দরকার কি ইচ্ছে হয়, রাস্তায় বেরিয়ে পড়ি, তারপর জ্যামে আটকে বসে থেকে থেকে অবসন্ন হয়ে যাই। মনে আছে, গতবার একদিন মহাখালিতে এমন জ্যাম লেগেছিল যে আমি বাস থেকে নেমে হেঁটে হেঁটে মতিঝিল পর্যন্ত চলে গিয়েছিলাম। মেট্রোরেল দেখে এজন্যই বোধহয় এত ভাল লাগছিল। তার ওপর পুরো ব্যবস্থাটা বেশ পরিকল্পিত মনে হয়েছে। ট্রেনগুলোও অনেক সুন্দর মনে হলো, ভেতরে যথেষ্ট জায়গা দেখা যাচ্ছে, বড় বড় জানালা খোলামেলার একটা আবহ দিয়েছে। জয়তু মেট্রোরেল।

লণ্ডনের মেট্রোরেলকে আণ্ডারগ্রাউণ্ড, কিংবা টিউব বলে ডাকা হয়। এসব রেলের বেশিরভাগ স্টেশান এবং পথ মাটির নিচে, অনেকটা পিপীলিকার বসতবাড়ির মতো মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে খুঁড়ে পুরো লণ্ডন শহরকে জালের মতো জড়িয়ে নিয়ে সিস্টেমটা দাঁড় করানো হয়েছে। মাটির নিচে হওয়াতে সুবিধাটা হলো উপরের বাস চলাচলের রাস্তায় এর কোন প্রভাব পড়ে না। ফলে স্বভাবতই পুরো শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে গেছে দ্বিতল। উপরে বাস, ট্রাক, কার। নিচে ট্রেন। লণ্ডনের মেট্রোরেলের বয়স হয়ে গেছে দেড়শো বছরেরও বেশি। তবে সিস্টেমটার আদি ডিজাইন নিঁখুত হওয়াতে এত পরিবর্তিত পৃথিবীতেও পুরনো সিস্টেমের সাথে প্রয়োজনমত নতুন সংযোগ দিতে বিন্দুমাত্রও বেগ পেতে হয় না। আদি ট্রেনলাইনগুলোও দিব্যি চলছে নতুন লাইনগুলোর সাথে।

আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশের মেট্রোরেলের পাত বসানোর আগে নগর পরিকল্পনাবিদ এবং ইঞ্জিনিয়াররা ভবিষ্যতের ঢাকার কথা ভেবেই পুরো আয়োজনটি শুরু করেছেন। আগামীতে যখন নতুন মেট্রোরেল তৈরি হবে অন্য কোন রাস্তায়, কে জানে হয়তো একসময় ঢাকার মাটির নিচ দিয়েও আমরা দেখতে পাবো ট্রেন সিস্টেম, তখন আজকের সিস্টেমটার সাথে ফ্রেম জুড়ে দিয়ে বাড়িয়ে নেওয়া হবে যোগাযোগের চৌহদ্দি। স্বপ্ন দেখি, অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা হয়ে পড়বে জ্যাম মুক্ত আধুনিক শহর!

ব্রিটিশ এক ইউটিউবারকে দেখলাম বাংলাদেশে গিয়েছেন। তিনি মূলত ট্রাভেল ব্লগ করেন। ঢাকায় বেড়াতে যাওয়ার উপরে ব্লগ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভদ্রলোক কাওরান বাজারের কাঁচা বাজারের গলা-পচা রাস্তায় লাফিয়ে লাফিয়ে পার হচ্ছেন, শাহবাগের রাস্তায় এসে নামছেন, ফুল কিনছেন, টিএসসি পাশের রাস্তাটি ধরে পুরনো ঢাকার দিকে যাচ্ছেন, লালবাগের রাস্তায় পানিতে ভেসে যাচ্ছে- সে রাস্তা রিকশায় পার হচ্ছেন। যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেই রাস্তার মানুষ তাকে ঘিরে ধরছে, আগ্রহ ভরে সেলফি তুলতে চাচ্ছে, ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজিতে কথা বলছে। তিনি স্ট্রিট ফুড খাচ্ছেন, পেছনে বিশ-পঁচিশ জনের একটা দল দাঁড়িয়ে তার খাওয়া দেখছে। ঝালে তিনি আহা-উহু করছেন, নানান মশলার খাবার খেয়ে মুখের নানান অঙ্গ-ভঙ্গি করছেন, পেছনের জনতা তা দেখে আনন্দে হাসছে, আঙুল তুলে ‘ভি’ চিহ্ন দেখাচ্ছে (কেন, কে জানে!)। যে রাস্তাতেই তিনি যাচ্ছেন না কেন, হাঁটছেন, কিংবা রিকশায় বসে আছেন, কাওরান বাজার কিংবা ফুলার রোড, সব জায়গাতেই তার ক্যামেরার এ্যাংগেলে অসংখ্য যান-বাহন, রিকশা, বেবিট্যাক্সি সহ হাজারো মানুষের বোঝাই ঢাকার রাস্তা। এসব দেখাতে দেখাতে তিনি ঝকঝকা হাসিতে তার ভিউয়ারদের জানাচ্ছেন, পৃথিবীর অন্তত একশত দেশ তিনি ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু, বাংলাদেশের রাস্তায় যা দেখছেন, তা এক কথায়: ক্রেজি। চারদিকে হযবরল অবস্থা দেখাতে দেখাতে তিনি ‘ক্রেজি’ শব্দটা বেশ কয়েকবার করে বললেন। সাধারণত এসব ভিডিও এড়িয়ে চলি আমি। বিশেষত বিদেশীরা আমাদের দেশ ভ্রমণ করতে গেলে তাদের ঝকঝকা চেহারায় আমাদের হতদরিদ্র অবস্থা দেখে মধুর করে হাসেন, বেছে বেছে খারাপ খারাপ রাস্তাঘাটগুলো খুঁজে বের করে সেগুলোকে ক্যামেরায় নানান এংগেল থেকে দেখিয়ে মাঝে মাঝে সান্তনা বাক্যের ফোঁড়ন কাটেন: … তবে মানুষগুলো সবাই খুব অতিথি পরায়ন, খাবার খুব মজার ইত্যাদি ইত্যাদি। চেনা স্ক্রিপ্ট। তারা যা দেখান, তার ভেতর দিয়েই তো আমরা বেড়ে উঠেছি। তবু বিদেশিরা তাদের চোখ দিয়ে আমাদের দেশ কীভাবে দেখেন, একসময় এ বিষয়ে উৎসাহী ছিলাম বলে এসব ব্লগগুলো আগ্রহ নিয়ে দেখতাম। তারপর চেনা স্ক্রিপ্ট বার বার দেখতে দেখতে একসময় উৎসাহ হারিয়ে ফেলি, এ ধরনের ভিডিও দেখা বন্ধ করে দেই। এই ভিডিও ব্লগটি ঐদিন কেমন করে যেন টিভি স্ক্রিনে চলতে শুরু করেছে, আর আমিও কিছু না ভেবেই দেখতে শুরু করেছি। ভদ্রলোকের মুখে ঐ ‘ক্রেজি’ শব্দটা বার বার শুনে রাগ লাগতে গিয়ে হঠাৎ একটা কথা ভেবে আমার মজা লাগতে শুরু করলো। আমি ভাবলাম, এই যে লোকটাকে দেখেই রাস্তায় মানুষ ঘিরে ধরেছে, নিজেদের কাজকর্ম ভুলে তার সাথে একটা সেলফি তুলতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে, একে চাইলে নিঃসন্দেহে ‘আদেখলা’ কিংবা ‘হ্যাংলামি’ বলে চালিয়ে দেয়া যায়। চাইলে এর অন্য একটা রূপ দেখাও সম্ভব কিন্তু। জাতি হিসেবে আমরা আসলে প্রচণ্ড কৌতূহলী, নতুন মানুষ কিংবা ভিনদেশি মানুষ দেখে এই যে আমাদের অনিমন্ত্রিত এগিয়ে আসা, এতো আমাদের অতিথিপরায়নতার সাথে সাথে নতুনের সাথে পরিচিত হবার, নতুনকে জানার, নতুনকে বোঝার ইচ্ছেরই প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাণে প্রাণে হৃদয়ে হৃদয়ে মিলতে আমরা চিরকালই উন্মুখ। এতটুকু একটি দেশে এত গুলো মানুষ, তার মধ্যেই আমরা সহাবস্থান করে নিয়েছি সবকিছুর, ধীরে ধীরে গুছিয়ে নিচ্ছি নিজেদের, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে রীতিমত বৈপ্লবিক উন্নয়ন ঘটিয়ে চলেছি, বিদেশি পর্যটকরা একদিন এসে রাস্তায় রিকশা-বাসের ভজঘটে বসে আমাদেরকে যত ‘ক্রেজি’ হিসেবেই বর্ণনা করুক না কেন, আমরা তো জানি, এর মধ্য দিয়েই নিজেদের অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর পরিশ্রমে আমরা ঈর্ষণীয় সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি অনেক কিছুতেই। ভদ্রলোকের ব্লগটা দেখতে দেখতে আমার একটা আরেকটা কথা মনে হলো। আপনারা কি খেয়াল করে কখনো দেখেছেন, ঢাকার রাস্তায় বেরুলেই মনে হয়, চারদিকে বুঝি মেলা চলছে। জীবনের মেলা। হৈ চৈ, চিৎকার, চেঁচামেচি, গাড়ির হট্টগোল, রাস্তার ট্রাফিক জ্যাম, মানুষের ভিড়, সব্জির দোকান, খাবারের দোকান- এই সব কিছু সত্ত্বেও কেমন একটা আনন্দমুখর পরিবেশ চারিদিকে। এর মধ্যেই আমরা কাজ-কর্ম গুছিয়ে নেই, জীবনের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে ফেলি। হ্যাঁ, আমাদের কষ্ট হয়, দিনশেষে ক্লান্তিতে শরীর ভেঙ্গে আসতে চায়, রাস্তার জ্যামকে কী বিচ্ছিরি যে লাগে। কিন্তু আপনি কি দেখেছেন, প্রচণ্ড ভীড়ের বাসে ঘামতে ঘামতেও কোন একজন যাত্রী কোন একটা বিষয় নিয়ে বেমক্কা মন্তব্য করে বসেন, আর তাতে আশপাশের কেউ আরেক ফোঁড়ন কাটেন, তাতে অন্যরা সবাই হেসে ওঠেন। তখন বিরক্ত আমাদের সবার মুখেও কেমন হাসি ফুটে ওঠে। এমন কাণ্ড আমি গত এক যুগে লণ্ডনের কোথাও দেখিনি। এখানেও মাঝে মাঝে জ্যাম লাগে, কিংবা ট্রেন কোন কারণে কোন কোন দিন আটকে যায়। তখন লোকজন কেমন স্থবির বসে থাকে, যেন শোকসভা চলছে। কেউ কেউ বিড় বিড় করে ‘গালি-গালাজ’ করে, তবে সাধারণত সেটা বিড়বিড়ানো পর্যন্তই। লোকজন সব ভ্রু কুঁচকে ঘড়ি দেখে, আর মুখ কালো নিশ্চুপ হয়ে থাকে। কেউ কারো দিকে তাকায় না, হাসি-ঠাট্টার তো কথাই নেই। আমার খুব করে মনে হয়, আমাদের দেশের ঝামেলাগুলো যখন আস্তে আস্তে কমে যাবে, মেট্রোরেলের মতো আরো আধুনিক ব্যবস্থা এসে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাটিকে আরেকটু গতিশীল করে তুলবে, তখন আমাদের ঐ ‘ক্রেজি’ দেশের মানুষগুলোই, আমাদের অতিথিপরায়ণ, অপার কৌতুহলী, নতুনকে জানার আকাঙক্ষায় উন্মুখ মানুষজনই আরো কত অসম্ভব সম্ভব করে দেশটাকে রকেটের গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ঢাকার মেট্রোরেল দেখা অব্দি লণ্ডনের মেট্রোরেলকে আমার কেমন পানসে লাগছে, ভীষণ প্রাণহীন মনে হচ্ছে। কবে ঢাকা গিয়ে মেট্রোরেলে চড়ব, আমি সে আশায় দিন গুনছি। 

লণ্ডন। ১১ জানুয়ারী, ২০২২। 
লেখক: কথাসাহিত্যিক

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক

গাজীউল হাসান খান ♦ চীনের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশের উচিত তার নিজ জাতীয় স্বার্থে কাজ করা, কোনো তৃতীয় পক্ষের জন্য নয়। কিন্তু পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব কাজ দেশের স্বার্থে করেননি,...

নতুন দল গণজাগরণের নয়া অধ্যায় রচনা করুক

গাজীউল হাসান খান ♦ ছাত্র-জনতার বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের অগ্নিগর্ভে যাদের জন্ম, তাদের কাছে রাজনীতিগতভাবে নির্যাতিত কিংবা শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রত্যাশাটা একটু বেশি থাকাই স্বাভাবিক। গণ-আন্দোলন কিংবা বৃহত্তর অর্থে গণ-অভ্যুত্থানের আপসহীন প্রক্রিয়ায়, চরম আত্মত্যাগের মধ্য...

গাজা বিক্রির জন্য নয়

গাজা বিক্রির জন্য নয়

গাজীউল হাসান খান ♦ ‘শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই, আর সবই গেছে ঋণেবাবু বলিলেন, বুঝেছ উপেন, এ জমি লইব কিনে।’ আমার চেতনার ফেলে আসা অলিন্দে রবীন্দ্রনাথ বারবার ফিরে আসেন। জাগরূক হয়ে ওঠেন, যখন শুনি বিশ্বের অন্যতম প্রধান পরাশক্তির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড...

১৬ ডিসেম্বর অর্জিত বিজয় একান্তই আমাদের

১৬ ডিসেম্বর অর্জিত বিজয় একান্তই আমাদের

গাজীউল হাসান খান ♦ আবদুল লতিফের কথা ও সুরে আমাদের প্রিয় একটি গান, ‘আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাঙলা, কারো দানে পাওয়া নয়।’ অপরাজেয় বাংলা বড় বেশি মূল্যের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই দেশ। এটি কারো দান বা দয়ায় পাওয়া নয়। সে কারণেই আমাদের ভালোবাসার এই দেশটি সম্পর্কে কেউ...

দিগন্তে জমে ওঠা কালো মেঘ কিভাবে কাটবে

দিগন্তে জমে ওঠা কালো মেঘ কিভাবে কাটবে

গাজীউল হাসান খান ♦ এই বিশাল দিগন্তের কোনো প্রান্তেই অকারণে মেঘ জমে ওঠে না। এর পেছনেও অনেক কার্যকারণ নিহিত থাকে। প্রায় এক বছর পর ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি সম্প্রতি এক দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। এর আগে গত বছর নভেম্বরে দিল্লিতে দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব...

আরও পড়ুন »

 

আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখুন

আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখুন

আমাদের হৃদযন্ত্রের কাজ হলো শরীরে রক্ত সঞ্চালন (পাম্প) করা। কার্ডিওভাসকুলার রোগ (সিভিডি) হৃদযন্ত্রের বা রক্তনালীগুলোর উপর প্রভাব ফেলে এবং এই রোগ বিশ্বব্যাপী অকাল মৃত্যু ও মানুষের অসক্ষম (ডিসএবল) হয়ে পড়ার প্রধান কারণ। তাই আমাদের বোঝা প্রয়োজন- কীভাবে আমাদের...

বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক

গাজীউল হাসান খান ♦ চীনের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশের উচিত তার নিজ জাতীয় স্বার্থে কাজ করা, কোনো তৃতীয় পক্ষের জন্য নয়। কিন্তু পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব কাজ দেশের স্বার্থে করেননি,...

শীতকালীন সর্দি-জ্বর নয় – রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি) থেকে নিজেকে সুরক্ষিত করুন

শীতকালীন সর্দি-জ্বর নয় – রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি) থেকে নিজেকে সুরক্ষিত করুন

রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাস সংক্ষেপে আরএসভি দ্বারা সৃষ্ট ফুসফুসের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে প্রতি বছর আমাদের হাজার হাজার বয়স্ক মানুষ এবং শিশু হাসপাতালে ভর্তি হন। এক্ষেত্রে আপনার কী জানা দরকার সে বিষয়ে জিপি ডাঃ মোহিত মন্দিরাদত্তা এবং ডা. ওজি ইলোজু ব্যাখ্যা করছেন। ডাঃ...

নতুন দল গণজাগরণের নয়া অধ্যায় রচনা করুক

গাজীউল হাসান খান ♦ ছাত্র-জনতার বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের অগ্নিগর্ভে যাদের জন্ম, তাদের কাছে রাজনীতিগতভাবে নির্যাতিত কিংবা শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রত্যাশাটা একটু বেশি থাকাই স্বাভাবিক। গণ-আন্দোলন কিংবা বৃহত্তর অর্থে গণ-অভ্যুত্থানের আপসহীন প্রক্রিয়ায়, চরম আত্মত্যাগের মধ্য...